Description
আর্যহী -- বিখ্যাত ঔপন্যাসিক মেঘদূত সেন তাঁর দুই বন্ধু সৌম্য এবং অর্কের সাথে প্রতিবছরের ন্যায় বেড়াতে বেরিয়ে উপস্থিত হন রামচন্দ্রপুর গ্রামে। রামচন্দ্রপুর উপস্থিত হয়ে মেঘদূত সেন সম্মুখীন হন এক অজানা ইতিহাসের যা লুকিয়ে আছে ঘোষাল রাজবাড়ির অন্দরমহলে। সেই অজানা ইতিহাসের সম্মুখীন হতে গিয়ে তিনি নিজের সাথে নিজে পরিচিত হন ,পরিচিত হন এক অদ্ভুত সমকামী ভালোবাসার সাথে আর সেই ভালোবাসার মধ্যে হঠাৎ করে ঝোড়ো হাওয়ার সাথে উড়ে আসা মিষ্টি সুবাস দেবদাসী আর্যহীর সাথে। সৃষ্টি হয় এক ভালোবাসা, প্রতিহিংসা মাখানো রক্তাক্ত ইতিহাস যার সবটুকু ঔপন্যাসিক মেঘদূত সেন লিপিবদ্ধ করে রেখে যান তাঁর আর্যহী উপন্যাসে।
পশ্চিমের ঘর -- পলাশপুরে নিজের মামার বাড়িতে দীর্ঘ কয়েক বছর পর উপস্থিত হয় নীপা। অবশ্যই তার আসার কারণ একটাই মামার বাড়ির পশ্চিমের ঘর যা দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ডাইনির ঘর বা মোহরের ঘর বলে চিহ্নিত হয়ে আসছে তার রহস্য উদঘাটন। মোহর সম্পর্কে নীপার মায়ের ঠাকুরদা শিবনারায়ণ রায়ের ভাই দেবদত্ত রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী। বংশপরম্পরায় রায় পরিবার মোহর কে জেনে এসেছে ডাইনি। কিন্তু সে কী সত্যিই ডাইনি ছিল না কী রায় পরিবারের পূর্বজদের তৈরি করা এক অপপ্রচার?
দেবী দেবযানী -- ছোট ভাই আদিত্য নারায়ণের সম্বন্ধ দেখতে গিয়ে নিজেই পছন্দ করে বসেন দেবযানী কে জমিদার দেবরঞ্জন রায়। এতো সুন্দরী দেবযানী তাঁর কেবল ভাতৃবধূ হয়েই থাকবে? দেবযানী কে যে তাঁর ও খুব পছন্দ। অগত্যা ছোট ভাইয়ের সাথে দেবযানী কে বিয়ে দিয়ে তিনি মাতলেন এক অন্য খেলায়। দেবরঞ্জনের সৃষ্ট এই অদ্ভূত খেলা থেকে আদিত্য নারায়ণ কী পারবে তার দেবযানী কে নিজের করে নিতে?






