Description
কয়েক যুগ আগে, প্রাচীন ভারতবর্ষে, ধর্ম এবং অধর্মের মধ্যে একটি মহাযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। ত্রিলোক বিস্তৃত এক সুবিশাল সাম্রাজ্য হারিয়েছিল তার শতাব্দী প্রাচীন গৌরব। অবসান ঘটিয়েছিল এক শক্তিশালী নির্মম শাসকের। সূচনা হয়েছিল এক নতুন যুগের । বিজয়ীদের আজ দেবত্বে উত্তীর্ণ। তাদের মহত্ত্বের গল্প যুগে যুগে আরও ব্যাপ্তি লাভ করেছে।
এটি কিন্তু এই গল্পটি সেই মহা যুদ্ধে পরাজিত সেই শাসকের কাহিনী। রাবণায়ন একটি সাহসী প্রচেষ্টা যা – লঙ্কাররাজা, রাক্ষস জাতির নেতা, বিশ্বজয়ী এবং দেবতাদের জয়ী রাবণের দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্বিবেচনা করার চেষ্টা করেছে। স্রষ্টা বিজয়েন্দ্র মোহান্তি এবং বিবেক গোয়েল রামায়ণের অন্তর্নিহিত মূল্যবোধগুলির অন্তর্নিহিত মূল্যবোধকে অটুট রেখে এই মহাকাব্যকে ভালো-মন্দের সংগ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাননি। রাবণের জীবনের এই আখ্যান বর্ণনা করতে গিয়ে বেশ কিছু অংশকে পুনরায় কল্পনা করা হয়েছে। তার ফলে পাঠককে ঠিক- বেঠিক, ভালো- মন্দ, ধর্ম-অধর্মের একটি মায়াবী গভীর আত্মানুসন্ধানে নিয়ে যায়। এই বই রামায়ণের থেকে একেবারেই আলাদা কারণ এখানে শ্রীরামের পরিবর্তে রাবণই মূল চরিত্র। লেখকরা বিশ্বাস করেন যে লঙ্কা পরাক্রমশালী রাবণের শাসনকালে সমৃদ্ধশালী নগরে পরিনত হয়েছিল। তাই তারা এই যোগ্য শাসককে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এটি সেই মহান ব্যক্তির জীবন কাহিনী, যিনিএকাধারে একজন ঋষি এবং আরেকদিকে একজন রাক্ষসের । রাবণের সীতাকে অপহরণ করার পুর্বের জীবন কাহিনীই এখানে বেশী প্রাধান্য পেয়েছে।
এই কাহিনী রাবণের আত্মবলিদানের কাহিনী। যে নিজের সারাজীবন উতসর্গ করেছে এক মহান উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে।











